আ.লীগের উপ-কমিটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়

প্রবাসীরদিগন্ত ডেস্ক : জানুয়ারী ২০, ২০১৮

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক ও সম্পাদক সদস্যের তালিকা প্রকাশ নিয়ে দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সহ-সম্পাদকদের অন্তর্ভুক্ত করে দায়িত্ব বণ্টনের জন্য চিঠি পাঠানো শুরু হলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ প্রেক্ষিতে উপ-কমিটি গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়নি বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে অন্তর্ভুক্ত হওয়া নেতাদের সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছাও ভাইরাল হয়ে পড়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি ‘আ. লীগ উপ-কমিটির সহ সম্পাদক তালিকা চূড়ান্ত’ সংবাদটি রাইজিংবিডিতে প্রকাশিত হওয়ার পর উপ-কমিটি গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতারা নড়েচড়ে বসেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিতর্ক এড়াতে এবং নিজস্ব অনুসারীদের উপ-কমিটিতে স্থান দিতেই অতি গোপনে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটি করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগে দলের মধ্যে একটি অংশ গোমর ফাঁস করে দেয়। এতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির একজন দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী নেতা। পরবর্তী সময়ে নিজের দায় এড়ানোর জন্য উপ-কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটি তিনি অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে দলীয় একটি সূত্র জানায়, উপ-কমিটিতে নিজের অনুসারীদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে দল ভারি করতে গিয়ে তিনি উভয় সংকটে পড়েছেন। উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক তালিকায় বিতর্কিতদের স্থান দিতেই গিয়েই তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন নেতারা।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন নেতার কাছে থাকা নামের তালিকার স্বাক্ষরের স্থানে দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহানের নাম লেখা রয়েছে। স্বাক্ষর হিসেবে একটি টিক চিহ্নের মতো ব্যবহার করা হয়েছে যা দলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঠানো স্বাক্ষরের সাথে অমিল হয়েছে। ফলে এই তালিকাগুলো সঠিক কি না এবং সঠিক হলে এত লুকোচুরি কেন তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বৃহস্পতিবার কয়েকটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উপ-কমিটি এখনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি, সহ-সম্পাদকদের কোন অনুমোদন নাই। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের নেতা দাবি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির তালিকায় সহ সম্পাদক হিসেবে ছয় জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে মশিউর রহমান শিহাব হলেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। আর অ্যাডভোকেট আয়েশা খাতুন পপি, কয়েক মাস আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারীদের পেছনে ঘুর ঘুর করেই এই পদ বাগিয়ে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আয়েশা খাতুন পপি বলেন, ‘তিনি একটি মামলার কাজে ব্যস্ত আছেন। কমিটির তালিকা এখনো আমি হাতে পাইনি। তাই বলতে পারছি না কমিটিতে আছি কি না? আমি মামলার এক কাজে এখন ব্যস্ত আছি তাই এখন আপনার সাথে কথা বলতে পারবো না।’

এছাড়াও উপ-কমিটির সহ সম্পাদক তালিকায় যারা স্থান পেয়েছেন তাদের নিয়েও বির্তক রয়েছে। যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের দুই নেতার অনুসারি। তাদের মধ্যে কেউ ওয়ান ইলেভেনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এমন নেতাও স্থান পেয়েছেন। আবার কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও পরিচয় দিয়ে সহ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা পেয়েছেন। এই নেতাকে একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলে ফাও খাওয়ার অভিযোগে তৎকালীণ ছাত্ররা হল থেকে মেরে তাড়িয়ে দিয়েছিল। বর্তমানে তিনি বিশেষ একটি পরিচয়ে পরিচিত। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেনের সঙ্গে সংযুক্ত করে তিন জন সহ সম্পাদকের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে নিজ জেলায় বহুমুখী সমবায় সমিতির নামে টাকা মেরে দিয়ে ঢাকায় এসে লুকিয়ে থাকার অভিযোগ রয়েছে। আরেকজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না থাকলেও কয়েক বছর বিদেশে কাটিয়ে এখন দেশে এসে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার প্রটোকল বহরে ঘুরে সহ সম্পাদকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে তিন জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে একজনের ব্যাপারে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কোন পদে না থাকার অভিযোগ রয়েছে। সেই নেতার আপন ভাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা হলেও সহ-সম্পাদক তালিকায় স্থান হয়নি। এছাড়াও সরকারি চাকরি করেন এমন নেতাও উপ-কমিটির সহ সম্পাদক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সহযোগী সংগঠনে থাকার তালিকায় নাম পাওয়া গেছে।

এমনকি একজন বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের উপ-পাঠাগার সম্পাদক ফারুক হোসেন স্থান পেয়েছেন কৃষি ও সমবায় উপ-কমিটিতে। তবে আওয়ামী লীগের অর্থ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের বরাত দিয়ে ওই কমিটির সহ সম্পাদক তালিকায় স্থান পাওয়া এক নেতাকে ফোন করা হয়েছিল। আবার কমিটি গঠনে কেন্দ্রীয় সম্পাদকম-লীর সদস্যদের সুপারিশও উপেক্ষিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের প্রাক্তন এক নেতার অনুসারিকে উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকে অন্তর্ভুক্ত করার কারণে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ওই নেতাকে কয়েক মাস আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিজেই অপমান করেন। তিনি হলেন কে এম কবির হোসেন। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিআর তিনি একটি গণমাধ্যমে বলেন, ‘যারা পদ-পদবি পায়নি তারাই আমার নামে মিথ্যাচার করছে। ২০০১ সালে আমি ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ভাইয়ের বাড়ি পটুয়াখালী। আমার বাড়িও পটুয়াখালী। সেই সুবাদে পরিচয় ছিল। আমি কখনো ছাত্রদল করিনি।’

এমন অভিযোগ মিজানুর রহমান জনির বিরুদ্ধেও অনেকে করেছেন। তিনি ছাত্রদলের ঢাকা কলেজ শাখার একজন অস্ত্রধারী ক্যাডার ছিলেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে মিজানুর রহমান জনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমি ২০০১ সালে ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলাম। বর্তমান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মির্জা আজম যখন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সেই কমিটির সদস্য ছিলাম। বর্তমানে আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় নৌকার প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা করছি। আমার প্রতি ঈর্শান্বিত হয়ে একটি মহল এই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আর আমার বাবা স্থানীয় বিএনপির কোন নেতা নন। তিনি এলাকার একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি।

এছাড়াও এস ডি রুবেল বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। এ ছাড়া ছাত্রজীবনে ঢাকা কলেজে ছাত্রদলের নেতা ও ক্যাডার হিসেবে পুরো ছাত্রজীবন পার করেছেন। এমনকি এস ডি রুবেল ছাত্রদলের ঢাকা কলেজ শাখার সাংস্কৃতিক সম্পাদকও ছিলেন। ২০০৬ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের ওপর হামলাকারী ফয়সাল আহমেদ রিয়াদ এখন আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক। তাকে দফতর কমিটিতে সহ সম্পাদক করা হয়েছে। ছাত্রলীগ যখন ক্যাম্পাসে অবস্থান নিতে চায়, তখন ছাত্রদলের সঙ্গে তা ফয়সালা করেন রিয়াদ।

শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটিতে সহসম্পাদক করা হয়েছে জাপানি ফারুককে। তিনি দীর্ঘদিন রাজনীতিতে ছিলেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতালি আমান হিসেবে পরিচিত আমানকে সিলেট বিভাগের সহ সম্পাদক করা হয়েছে। নিয়ম না থাকলেও জেলা ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পদে থাকা নেতাদের সহ সম্পাদক করা হয়েছে। ছাত্রলীগের এক সভাপতি দফতর উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু সেই নেতার মেয়াদকালে যারা বিভিন্ন ইউনিটের পদধারী নেতা না হয়ে কর্মী ছিলেন এমন কয়েকজন সহ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

গত ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের দপ্তর রুমে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দপ্তর সম্পাদক গোলাপকে উপ কমিটির সহ সম্পাদক এবং বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক পদে সদস্যদের তালিকা দ্রুত সংশ্লিষ্ট সদস্য সচিবদের কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দেন।

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের পর নভেম্বরে কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদের জন্য জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহের জন্য ছাত্রলীগের প্রাক্তন দপ্তর সম্পাদক নাসিম আল মোমিন রুপক ও সভাপতির কার্যালয়ের স্টাফ সাঈদ আহমেদকে দায়িত্ব দেন।

দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটি বিভাগভিত্তিক সম্পাদকীয় পদের সহযোগী হিসেবে পাঁচজন করে সহ-সম্পাদক থাকার নিয়ম আছে। তবে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলো বিভাগভিত্তিক নয়। তাই এ পদগুলোর বিপরীতে কোনো সহ-সম্পাদক থাকবে না। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদ বাদ দিলে পদ দাঁড়ায় ১৯টি। সহ-সম্পাদকের ব্যাপারে বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতিম-লীর সদস্য বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘পার্টি অফিসের সামনে যার সঙ্গে ধাক্কা লাগে তিনিই বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক। কিন্তু তারা যে উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এটা বলেন না। এই সহ-সম্পাদকের ভিজিটিং কার্ড দিয়ে অনেকে নিজ জেলায় অনেক হুমকি-ধামকিও মারে। তাই আগামী সম্মেলনে সহ-সম্পাদকের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।’

দলের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়ে গত ২৬ অক্টোবর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদক ম-লীর বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘দলের গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০ করার যে বিধান রয়েছে, আমরা তার বাইরে যাব না। এই কমিটির সদস্য সংখ্যা একশ’র মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।’ আর গত বছরের ৩০ জুন সভাপতির কার্যালয়ে সম্পাদকম-লীর সভা শেষে কাদের বলেন, ‘আমরা তো পুরনোদের চিনি। এবার নতুনদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়েছি। এখানে আমাদের একটা ক্যাটাগরি আছে।’

যারা অন্যান্য শাখা বা কমিটিতে আছেন তারা কিন্তু উপ-কমিটিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি থাকতে পারবেন না। কিন্তু মেম্বার (কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য) থাকতে পারবেন। যারা অন্য কমিটিতে আছেন, এমন কেউ অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি (সহ সম্পাদক) হতে পারবেন না। এই অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ১০০ অতিক্রম করবে না, সর্বমোট ৯৫ জনের মতো হবে।’

সহ-সম্পাদকদের দায়িত্ব বণ্টনের ব্যাপারে বলেন, ‘আমাদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে তিনজন করে সহ-সম্পাদক সংযুক্ত থাকবেন। এ বিষয়ে আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রচার এবং দপ্তর- এই দুটি বিভাগে পাঁচজন করে থাকবেন। তথ্য-গবেষণায় চারজন থাকবেন। এইভাবে আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। ওই আলোকে আমরা পরবর্তী মিটিংয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করব। হয়ত সেক্ষেত্রে আরো একটি মিটিং করে চূড়ান্ত করা হবে। এরপর আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ করব।

সম্পাদকীয় উপ-কমিটির সদস্যদের সীমা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘উপ-কমিটির সদস্য পদে ২০ থেকে ৩০ জন থাকবেন। এখানে পার্লামেন্টের মেম্বাররা থাকবেন ৫ থেকে ৭ জন। অনেক আছে আওয়ামী লীগ মনস্ক, আমাদের আদর্শের লোক; তারাও স্থান পাবেন। আর ১৯টি উপ-কমিটির মধ্যে ১৬টি উপ-কমিটিতে তিনজন করে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: জানুয়ারী ২০, ২০১৮

প্রতিবেদক:

সর্বমোট পড়েছেন: 621 জন

মন্তব্য: 0 টি