জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার মহাগুরু!

হামিদুর রহমান পলাশ | নিজস্ব প্রতিবেদক : মে ১৬, ২০১৮

দোহারের রাজনীতিতে প্রচলিত স্রোতের বিরুদ্ধে সত্য, সুন্দর, সাহসী দৃপ্ত উচ্চারণের এক অনবদ্য নাম-সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ।তাঁর কর্মে ও চিন্তায়, মতানুগত্যে ও মননশীলতায় রাজনৈতিক অবিচলতার ও নন্দনতাত্ত্বিক মৌলিকতার সমাহার তাঁকে অসাধারণ খ্যাতি দিয়েছে দোহারের পরিচিত রাজনীতির অঙ্গনে।তিনি আত্মবিসর্জনের চিন্তা দ্বারা তার চারপাশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করতেন নিপুন ভাবে। এখনও করছেন, তার ভবিষ্যত কল্পনাশক্তির দক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করে।

২০০৬ সাল থেকে ২০১৪ সাল- এই দীর্ঘ সময়ের ভিতরে সকল প্রকারের প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। নিজেকে উপলব্ধি, নিজেকে নতুন করে জানা, আগামী নেতৃত্বের জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত করে তোলার জন্য এরকম নীরবতা অনেকের কাছেই ছিলো বেশ রহস্যাবৃত।যে যেভাবেই দেখুন বা বিচার-বিশ্লেষণ করুন না কেনো, আমার মতে তার জন্য এটা ছিল একটা সাধনা। দোহারের জনগণের জীবন-মান উন্নয়ন অনেকটাই নির্ভর করে জয়পাড়া কেন্দ্রীক নেতৃত্বের উপর।

আর একজন সঠিক নেতা, সত্যিকারের জনদরদী নেতা, নেতৃত্বই পারে মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত, দালাল মুক্ত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।দোহারের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য চাই আধুনিক, উন্নত সৎ নেতৃত্ব।তাই এই মুহূর্তে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে আগামী দোহার পৌরসভা নির্বাচনে নিজের অবস্থান সুসংহত করা।রাজনীতির মাঠে আরো বেশী সক্রিয় হওয়া উচিৎ। তবে দোহার তরুন আধুনিক নেতৃত্ব পেয়ে যাবে, যার নেতৃত্বে আগামীর দোহার এগিয়ে যাবে।

অধিক স্বচ্ছ, মেধাবী, তরুন প্রজন্মকে তার সুচিন্তিত কর্মকান্ডের মাধ্যমে দোহারের অতীততথা বর্তমান রাজনৈতিক কালচারের পরিবর্তনের কাজ শুরু করতে হবে।বাংলাদেশ এমন এক দেশ, যার জনগণ অতি সহজেই তার নেতাকে যেমন আপন করে নেয়, একইভাবে অল্প সময়েই তার নেতাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। যার বাস্তব প্রমান বর্তমান দোহরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। দোহারের জনগণ দুর্যোগ-দুর্বিপাকে যেমন একে অন্যের সাহায্যে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ে, আবার একই জনগণ অতি সহজে হিপনোটাইস হয়ে কিংবা না পাওয়ার বেদনা থেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে, জ্বালাও-পোড়াও আর হত্যার রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে।

যার বর্হিপ্রকাশ দোহারের হত্যাকান্ড গুলি।তাই রাজনীতির ময়দানে, যুগের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করে এগুতে হবে।সুযোগ সন্ধানী অতি মুনাফা লোভী বন্ধু, স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদ, হটকারি ছাত্রনেতাদের অতি বিনয়ের সাথে এড়িয়ে চলতে হবে। কোন হঠকারী রাজনৈতিক নেতার অদূরদর্শী, অবিবেচনাপ্রসূত আধো আলো, আধো অন্ধকারের সিদ্ধান্তকে প্রতিহত করার প্রত্যয় নিয়েই আগামী দিনের রাজনীতির পথে হাটতে হবে। তাই প্রয়োজন এখন স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন, সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দোহারের হারানো রাজনৈতিক ঐতিয্য পুন:প্রতিষ্ঠিত করা। এটা করা কি খুবই কঠিন .........???

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: মে ১৬, ২০১৮

প্রতিবেদক: হামিদুর রহমান পলাশ

সর্বমোট পড়েছেন: 368 জন

মন্তব্য: 0 টি