জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বৈঠক

প্রবাসীর দিগন্ত | প্রবাসীরদিগন্ত ডেস্ক : মার্চ ২৫, ২০১৮

রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে নিজ বাসভূমিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

গত শুক্রবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজের সাথে এক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম এ আহবান জানান। এ সময় তিনি মহাসচিবকে বাংলাদেশ সফরেরও পুন:আমন্ত্রণ জানান। জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশের জনগণ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মহাসচিব জানান, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে নিজ বাসভূমিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এর সমাধানে তিনি নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন মর্মে প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বাস দেন। দ্রুততার সাথে বিশেষ দূত নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান মহাসচিব। তিনি বাংলাদেশের অসামান্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন।

আন্তর্জাতিক পানি দশকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে ধন্যবাদ জানান এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানামূখী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক গত শুক্রবার রাতে নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে শুক্রবার নিউ ইয়র্কে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব তাঁর এ অবস্থান তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র আরো বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অনুরোধ অনুযায়ী জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক একজন বিশেষ দূতের নাম ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা চলছে। 

রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘের অবস্থান প্রসঙ্গে মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, আমাদের অবস্থান বদলায়নি। মহাসচিব চান আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত হোক। যে রোহিঙ্গারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের প্রত্যাবাসন প্রয়োজন। শরণার্থী হিসেবে তাদের অধিকার, মানুষ হিসেবে অধিকারগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক উপায়ে। আর তারা যেখান থেকে এসেছে সেখানেই অর্থাৎ তাদের নিজেদের বাড়িতেই ফেরার সুযোগ দেওয়া উচিত। আবারও ফিরে আসতে হতে পারে এমন কোনো স্থানে তাদের পাঠানো যাবে না।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: মার্চ ২৫, ২০১৮

প্রতিবেদক: প্রবাসীর দিগন্ত

সর্বমোট পড়েছেন: 182 জন

মন্তব্য: 0 টি

বিজ্ঞাপন জন্য স্থান
(আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন)