দুদিনেও নথিভুক্ত হয়নি মেয়র আইভী হত্যাচেষ্টা মামলা

প্রবাসীর দিগন্ত | নিজস্ব প্রতিবেদক : জানুয়ারী ২৫, ২০১৮

নারায়ণগঞ্জের ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা অভিযোগটি দুদিনেও মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেনি পুলিশ।

এদিকে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটিকে তদন্তের স্বার্থে আরো সাত কার্যদিবস সময় বাড়ানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বুধবার সন্ধ্যায় জানান, তদন্ত কমিটির বেঁধে দেওয়া সময় আজ শেষে হয়েছে। ঘটনাটি একটি বড় ঘটনা। সেখানে মেয়র, সাংবাদিকসহ অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। এখানে অনেক ভিকটিম। অনেকের সাক্ষ্যগ্রহণ করতে হবে। প্রথমে যে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সেই সময়ে সবার সাক্ষ্যগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। সেজন্য সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করতে আরো সাত দিনের সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া আরো সাত দিনের সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করে জমা দেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা জিএমএ সাত্তার বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অস্ত্রধারী যুবলীগ ক্যাডার নিয়াজুল ইসলাম খান ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৯০০ থেকে এক হাজার জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

দায়ের করা অভিযোগে অন্যরা হলেন- মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ নেতা চঞ্চল মাহমুদ ও নাসির উদ্দিন ওরফে টুন্ডা নাসিরসহ ৯জনের জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৯০০ থেকে ১০০০ জনকে আসামি করে সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা আব্দুর রাজ্জাক জানান, সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তার দায়ের করা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার দিন বৈধ-অবৈধ যেসব অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে স্টিল ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে তাদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করছে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, সিটি করপোরেশনের অভিযোগটি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, অপেক্ষা করেন দু-এক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সম্পর্কে জানানো হবে।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: জানুয়ারী ২৫, ২০১৮

প্রতিবেদক: প্রবাসীর দিগন্ত

সর্বমোট পড়েছেন: 422 জন

মন্তব্য: 0 টি