মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে প্রতারণা বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : অগাস্ট ৩০, ২০১৮

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় ৩৭ হাজার টাকার জায়গায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে চার লাখ টাকা আদায় করছে।

এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সচেতন নাগরিক সমাজ।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে প্রতারণা বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক তাপস কুমার দাশ।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, রিক্রুটিং এজেন্ট সিন্ডিকেটের প্রতারণায় পড়ে প্রায় দুই বছরে দেশের হাজার হাজার বেকার যুবক মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছে। বর্তমানে তারা চরম অনিশ্চয়তা, অভাব-অনটন আর হতাশার মধ্যে রয়েছে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছিল তার কোনো সত্যতা সেখানে গিয়ে তারা খুঁজে পায়নি। এদিকে দেশ থেকে ধার-দেনা করে সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে বর্তমানে তার দায় বইতে হচ্ছে হতভাগ্য পরিবারগুলোকে। দিন যতই যাচ্ছে ততোই দেনায় জর্জরিত পরিবারে জেঁকে বসছে হতাশা আর অনিশ্চয়তা।

তারা বলেন, ‘রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ায়  যে চাকরির ব্যবস্থা করে সেখানে বেতন পাওয়া যায় ১৯ হাজার টাকা; যা দিয়ে থাকা-খাওয়ার পর দেশে টাকা পাঠানো যায় না। অথচ এজেন্সিগুলো তাদের মাসে বাংলাদেশি ৪০ থেকে ৫০ হজার টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মালয়েশিয়া পাঠিয়েছিল।’

বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে এই ১০ এজেন্সি প্রতারণা করে আসছে। তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শহরের হাজারো বেকার যুবকের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। তাই, এই ১০ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান তারা।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: অগাস্ট ৩০, ২০১৮

সর্বমোট পড়েছেন: 1341 জন

মন্তব্য: 0 টি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ