মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠানো সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

প্রবাসীরদিগন্ত ডেস্ক : সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠাতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়তি সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত অভিযোগ আমলে নিয়ে সহকারী পরিচালক মো. শফিউল্লাহকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, দুদকে আসা একাধিক অভিযোগ এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে এ-সংক্রান্ত তথ্য ও নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে এসব তথ্যে অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমনে নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় এ সংস্থা।

সূত্র জানিয়েছে, জনশক্তি রপ্তানিতে কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে, সেটা যাচাই করে দেখা হবে। পাশাপাশি এর সঙ্গে যাঁরা যুক্ত আছেন, তাঁদের সম্পদের অনুসন্ধানে বেশি নজর দেওয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশের ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক (রিক্রুটিং এজেন্সি) একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ‘জি টু জি প্লাস’পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাত। তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে গড়া একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই অভিযোগে ১ সেপ্টেম্বর থেকে জি টু জি প্লাসপদ্ধতিতে জনশক্তি নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে কর্মী নিয়োগের বিশেষায়িত পদ্ধতি এসপিপিএ (যা জি টু জি প্লাস নামে পরিচিত) থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।শীর্ষ নিউজ

২০১৬ সালের ফেব্র“য়ারিতে দুই দেশের মধ্যে জি টু জি প্লাস (সরকারি-বেসরকারি) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া হয় অনলাইনে। এর এক বছর পর ২০১৭ সালের ফেব্র“য়ারি থেকে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গেছেন প্রায় দুই লাখ শ্রমিক। জনপ্রতি ৩৭ হাজার টাকা খরচ হওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। এই হিসাবে অতিরিক্ত সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

সর্বমোট পড়েছেন: 910 জন

মন্তব্য: 0 টি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ