মা যদি আমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে, তবে আমরা কি পারি না মাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে

সাইদুল ইসলাম (সুমন) | নিজস্ব প্রতিবেদক : মে ১২, ২০১৮

মা কে নিয়ে লেখা, কিভাবে শুরু করব? মা-কে নিয়ে পৃথিবীর অনেক লেখক, কবি ও সাহিত্যকরা অনেক লেখা লিখছে। পৃথিবীতে অনেক গুণীজন আছেন যারা মাকে নিয়ে অনেক ভাল ভাল লেখা লিখিছেন। আমার সীমিত জ্ঞানে লিখার যে সাহস করেছি তা অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে। তাই সকল বন্ধুদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এবং আমার এ অল্প জ্ঞানে যতটুকু লিখেছি দয়াকরে ধৈর্য সহকারে পরবেন।

মায়ের জন্য আবার নাকি বিশেষ দিন! ধুর। হয় নাকি কোনওদিন! মা ছাড়া জীবনের একটা মুহূর্তও ছিল নাকি কোনওদিন! ছিলাম যাঁর জন্য, রয়েছি যাঁর জন্য, থাকার প্রার্থনাও যে সবথেকে বেশি করে, তাঁর জন্য নাকি মাত্র ১ টা বিশেষ দিন! গোটা জীবনটাই তো মা - তোমারই জন্য।

মা’ পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ও প্রাণের একটি শব্দ। এ শব্দতেই লুকিয়ে থাকে গভীর ভালোবাসা আর মমত্ববোধের আকুলতা। মমতাময়ী ‘মা’ এর কাছেই সন্তানদের হাজারো বায়না, গল্প কত কি! মনের সব লুকোনো কথাগুলোও কেমন করে এই মা জেনে যায়। সব সুখ দুঃখের এক মাত্র প্রিয় বন্ধু হয় মা। এই ‘মা’ নিয়ে অনেকেই লিখে গেছেন তাঁদের নিজেদের মতো করে-

হূমায়ুন আজাদ লিখেছেন- 
“আমাদের মাকে আমরা বলতাম তুমি বাবাকে আপনি।
আমাদের মা গরিব প্রজার মতো দাঁড়াতো বাবার সামনে
কথা বলতে গিয়ে কখনোই কথা শেষ ক’রে উঠতে পারতো না
আমাদের মাকে বাবার সামনে এমন তুচ্ছ দেখাতো যে
মাকে আপনি বলার কথা আমাদের কোনোদিন মনেই হয় নি।

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘মা’ কবিতায় লিখেছেন –
“যেখানেতে দেখি যাহা
মা-এর মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের মতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনখানে কেহ পাইবে ভাই!

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভাষায় –
“আমি যদি দুষ্টুমি করে
চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি,
ভোরের বেলা, মা গো, ডালের ’পরে
কচি পাতায় করি লুটোপুটি-
তবে তুমি আমার কাছে হারো-
তখন কি, মা, চিনতে আমায় পারো?
তুমি ডাকো ‘খোকা কোথায় ওরে’,
আমি শুধু হাসি চুপটি করে।”

মায়ের চেহারা চোখে ভাসলেই ভেসে ওঠে তার স্নেহ,ভালোবাসা আর মমতায় মাখা মুখ। নি:স্বার্থ আর প্রতিদান অপ্রত্যাশী মা তার জীবন দিয়ে আগলে রাখেন সন্তানকে।

‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত’, ‘জননী স্বর্গের চেয়েও গরীয়সী’ বলা হয়েছে যুগ-যুগ ধরে।

মা’কে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজন নেই কোনো বিশেষ দিন, প্রতিদিনই ভালোবাসা যায় এ মানুষটিকে। তবুও সারা বিশ্বের মানুষ কয়েক যুগ ধরে পালন করছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতিবছর মে মাসের ২য় রবিবার বিশ্বব্যাপী এ দিনটি পালিত হয়। দেশ ও অঞ্চলভেদে কোথাও কোথাও অবশ্য মা দিবসের তারিখ ভিন্ন হয়ে থাকে।

একজন মা ১০ মাস ১০ দিন পেটে ধারণ করে সমস্ত যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে জন্ম দেয় সন্তান। সত-সহস্র কষ্টে লালন পালন করে সেই সন্তানটিকে, আস্তে আস্তে তাকে বড় করে। কেননা মাতৃসত্ত্বা হচ্ছে একজন মায়ের নিকট সবচেয়ে বড় সত্ত্বা। মাতৃত্ব তাই নারীর অহংকার ও গর্ব। সব মায়ের ভালোবাসাই অকৃতিম ও এক। প্রতিটি মানুষের কাছে তার মা তুলনাহীনা ও অনন্যা। মা কখনও পুরানো হয় না, ঠিক আকাশের মতো। যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় সবচেয়ে বড় সুখ কিসে? নিশ্চই তার জাবাব হবে মায়ের বুকে। মায়ের কাছে গেলে কখনও অপ্রাপ্তি থাকে না। তাই হয়ত কখনও কখনও প্রাপ্ত বয়স্ক কোন সন্তানও নবজাতকের মতো অসহায় হয়ে যায় মাকে ছাড়া। মায়ের বুক হচ্ছে সন্তানের জন্য নিরাপদ আশ্রয়। মায়ের ভালবাসা হচ্ছে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে নির্ভেজাল এবং স্বার্থহীন ভালবাসা। 

সন্তানের সুখের জন্য একমাত্র মাই তার সকল সুখ দুঃখ হাসি কান্না সব ত্যাগ করে সন্তানের সুখের আশায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যায় । সন্তানের একটু অসুখ হলে তিনি রাতের গুম হারাম করে সন্তানের জন্য রাত জেগে সেবা করে ,মায়ের ভালবাসায় থাকে না কন স্বার্থ ,মা সে তো মমতা ময়ী, বাসায় সবাই  থাকলে ও মা না থাকলে পুরো ঘর খালী মনে হয় ।

সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে এই মা সন্তানের মনের অবস্থা বুঝতে পারে ,সন্তানের কি চাওয়া কি পাওয়া । সন্তান ব্যাথা পেলে ব্যাথা পান মা।

আজকে কিছু কিছু মা কে থাকতে হয় বিদ্যাশ্রমে ,কিন্তু কেন মা অনেক খারাপ সময় পার করলেও  আমাদের পেলে চলে যায়নি তাহলে কেন মাকে আমরা পেলে দিব ।

সু শিহ্মাইয় শিহ্মিত করে সু নাগরিক হিসেবে মায়ের ভুমিকা বলে শেষ করা যাবে না।

আল্লাহ বলেন:-

আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি। তার জননী তাকে কষ্টসহকারে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্টসহকারে প্রসব করেছে। তাকে গর্ভে ধারণ করতে ও তার স্তন্য ছাড়তে লেগেছে ত্রিশ মাস। অবশেষে সে যখন শক্তি-সামর্থে, বয়সে ও চল্লিশ বছরে পৌছেছে, তখন বলতে লাগল, হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি তওবা করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম। (আল আহক্বাফ: ১৫)
 তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা। (বনী ইসরাইল: ২৩)

আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। (লোকমান: ১৪)

এক ব্যক্তি নবীজীর স. কাছে এসে বলল, সদ্ব্যবহার পাওয়ার অধিকার বেশি কোন মানুষের? তিনি বললেন, তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরও তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরও তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপর তোমার বাবা। -বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী

 রাসূলে  (সা) বলেছেনঃ বেহেশ্‌ত হচ্ছে মায়েদের পায়ের নিচে। ( কানযুল উম্মালঃ ৪৫৪৩৯, মুনতাখাবে মিযানুল হিকমাহঃ ৬১৪ 

কবি হাওয়ার্ড জনসন (Howard Johnson) ইংরেজি ভাষার কবি M-O-T-H-E-R শিরোনামে একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘মা’-কে কতো সুন্দরভাবেই না তিনি বর্ণনা করেছেন! তিনি লিখেছেন–
‘M’ is for million things she gave me,
‘O’ means only that she’s growing old,
`T’ is for the tears she shed to save me,
‘H’ is for her heart of purest gold;
‘E’ is for her eyes, with love-light shining,
‘R’ means right, and right she will always be,
Put them all together, they spell “MOTHER,”
A word that means the world to me

আমেরিকান কবি ও লেখক রালফ ওয়ালডো এমারসনও (Ralph Waldo Emerson) বলেছেন: “মানুষ তা-ই যা তার মা তাকে বানায়।”

ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং বলেছেন যে, (Motherhood: All love begins and ends there.) মাতৃত্বেই সকল ভালোবাসার শুরু এবং শেষ। 
কার্ডিনাল মারমিলডও (Cardinal Mermillod) বলেছেন,
“মা হচ্ছেন তিনি, যিনি অন্য সকলের স্থান পূরণ করতে পারেন, কিন্তু তার স্থান কেউ পূরণ করতে পারে না।”
দক্ষিণ আফ্রিকান লেখক অলিভার স্রেইনার (Oliver Schreiner) তার The Story of an African Farm-এ বলেছেন: “এমন কোনো মহান ব্যক্তি ছিলেন না, যার একজন মহান মা না-ছিল।”

মা সম্পর্কে আব্রাহাম লিংকন বলেছেন “আমি যা হয়েছি বা যা হতে চাই তার সবটুকুর জন্যই আমি আমার মায়ের কাছে ঋণি। আমার মায়ের প্রার্থনাগুলো সব সময় আমার সঙ্গে সঙ্গে ছিল”। এ বিষয়ে বালজাক বলেছেন “ মায়ের হৃদয় হচ্ছে এক গভীর আশ্রয়, সেখানে আপনি সহজেই খুঁজে পাবেন মমতার সুশীতল ছায়া” এবং জন গে বলেছেন, “মা, মা-ই তার অন্য কোন রূপ নেই।” এ সম্পর্কে আল-হাদিসে আছে, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহশত্ এবং আল-কোরআনে আছে, যে গর্ভ তোমাকে ধারণ করেছে সে গর্ভধারিণী মায়ের প্রতি কর্তব্য কর ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর।

ইসলাম ধর্মে আছে “মা বাপ হচ্ছে তোমাদের বেহেশত, মা বাপ হচ্ছে তোমাদের দোজখ।” অর্থ্যাৎ যদি আমরা মা বাবার কথামত চলি, মা বাবার মনে কোন কষ্ট না দেই তাহলেই আমাদের জন্য বেহেশত সোজা হয়ে যাবে। আর যদি মা বাবার মনে কষ্ট দেই মা বাবার সাথে দুর্ব্যবহার করি তাহলে দোজখ চিরধার্য। সন্তানের জন্য মা-বাবার দোয়া অতি দ্রুত এবং ১০০% কবুল হয়। এই দুনিয়াতেই সন্তানের উপর মায়ের দোয়া অতি দ্রুত এবং ১০০% কবুলের একটিবাস্তব উদাহরণ 

হজরত বায়েজিদ বোস্তামি এর ঘটনাঃ একদিন বায়েজীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি পানির গ্লাস হাতে নিয়ে মায়ের মাথার কাছে সারা রাত দাঁড়িয়ে ছিল। ফজরের আযান হল। মা ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন। তিনি দেখতে পেলেন বায়েজীদ পানির গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে। মা বললেন হে বায়েজীদ! তুমি এখানে এ অবস্থায় কেন? বায়েজীদ বলল, মা তুমি গভীর রাতে পানি চেয়েছিলে। কিন্তু পানি ঘরে না থাকায় অনেক দূর থেকে পানি এনেছিলাম তোমার জন্য। কিন্তু এসে দেখি তুমি ঘুমিয়ে পড়েছ। তাই যতক্ষণ না তুমি ঘুম থেকে উঠবে ততক্ষণ আমি এই পানির গ্লাস হাতে নিয়ে তোমার মাথার কাছে দাঁড়িয়ে রইলাম। এ কথা শুনার সাথে সাথে বায়েজীদের মা বায়েজীদকে বিছানায় কম্বল দিয় শুইয়ে দিল। আর ফজরের নামায শেষে মা বায়েজীদের জন্য এই বলে দোয়া করলেন যে, হে আল্লাহ আজকে বায়েজীদ আমার জন্য যা করেছে তার জন্য আমার কলিজা ঠান্ডা হয়ে গেছে। হে আল্লাহ আমি তার মা হয়ে দোয়া করি, তুমি তাকে সুলতানুল আরেফীন বানাইয়া দিও। আর সেই দোয়া শেষ পর্যন্ত মঞ্জুর হয়ে গেল। 

আব্রাহাম লিংকন বলেন "যার মা আছে সে গরিব নন

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এর বিখ্যাত উক্তি “আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিবো”

বাংলাদেশের প্রয়াত মেয়র আনিসুক হক তার জীবনে সফলতার মায়ের ভুমিকা বার বার প্রকাশ করে গেছেন ,তার মায়ের দোয়া যে তার জিবন কে পরিবর্তন করে দিয়েছেন তার সফলতার গপ্ল তিনি আমাদের জানিয়েছেন।

‘১৯০৫ সালের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মারা যান যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল শিক্ষিকা আনা জার্ভিসের মা। মায়ের স্মৃতি রক্ষা ও শ্রদ্ধা জানাতে ১৯১২ সালে আনা প্রতিষ্ঠা করেন আন্তর্জাতিক মা দিবস সমিতি। মা দিবসের স্বীকৃতির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯১৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিবসটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেন। সেই থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ এ দিনে মায়ের প্রতি আলাদাভাবে সন্তানরা তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করে থাকে

পরিশেষে বলবো:

নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব, দেশ-বিদেশ কোথাও কারও সঙ্গে 'মা'-এর কোনো দ্বন্দ্ব নেই। কোনো বিভেদ নেই। নেই তারতম্য। সবাই সমান, সবই সুন্দর। নারী-পুরুষ ভেদাভেদের বাইরে মা একটি নিজস্ব সত্তা, একটি সত্য। আর তাই মায়ের কাছে ছেলে-মেয়ে সব সন্তানই সমান, মা সর্বজনীন। মা ভালোবাসা। একটি পরম মমতা। মা বুকের কাছে জাপটে ধরে আগলে রাখা একটি ছায়া। মাকে নিয়ে লিখলে আমার মনে হয় কয়েক দিনেও শেষ হবেনা। মা এর সাথে তুলনা হয় বিশ্বে এমন কিছুই নাই। তাই তো আমি আমার এ লেখার শেষে বলব ওগো মা, তুমি শুধুই মা, পৃথিবীতে নাই তোমার তুলনা।চলার পথে সজ্ঞী তুমি ,অসময়ে সাহস দাও ,সফলতার পথ দেখাও নাইতো তোমার তুলনা।আমার  ভালবাসার শেষ আশ্রয়স্থল।

মা দিবস’ এর এই দিনে বিশ্বের সকল মমতাময়ী মায়েদের জন্য রইলো আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

আমরা কি পারি না মা বাবা কে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে?

হে মহান সৃষ্টিকর্তা, বাবা মা আমাদের যে দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা সহ্য করে আমাদের লালন পালন করেছে, তাদের প্রতি ভাল ব্যবহার করার তৌফিক দান কর। 

“রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সাগীরা”
-হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করো, যেমন তারা দয়া, মায়া, মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।
[সূরা বনী-ইসরাঈলঃ২৪]

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: মে ১২, ২০১৮

সর্বমোট পড়েছেন: 618 জন

মন্তব্য: 0 টি